কাউনিয়ায় এলাকায় হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক, ধ্বংসের পথে যুবসমাজ

September 09 2019, 17:03

অনলাইন ডেস্ক// নগরীর কাউনিয়ায় অলিগলিতে চলছে মাদকের কেনাবেচা। কাউনিয়ার ২০টির বেশি স্পটে মাদক কেনাবেচা হলেও পুলিশ প্রশাসন মাঝেমধ্যে সামান্য গাঁজা, ফেন্সিডিল, ইয়াবা জব্দ করলেও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছেন না।

সূত্র জানায়, প্রভাবশালী কজন মাদকসম্রাট পর্দার আড়ালে থেকে অসাধু কিছু পুলিশসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজনের সহযোগিতায় ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে।

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে- পলাঁশপুরের মান্না সুমন তার স্ত্রী শিল্পি, কাউনিয়া সরদার সড়কের মুন্নি, পশ্চিম কাউনিয়ার সজিব-সজল দুই ভাই,  ।

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের নিযুক্ত করা বিক্রেতারা প্রতিদিন শহরের কাউনিয়া হাউজিং, সরদার সড়ক , বিসিক, পলাশপুর, পিছনের স্কুল, পুরানপাড়া, ভাটিখানা, পশ্চিম কাউনিয়া, মহাবাজ, চরবাড়িয়া, আমানতগঞ্জ এলাকায় মাদক বিক্রি করছে। এসব এলাকায় প্রতিদিন মাদক কেনাবেচার হাট বসছে।

পুলিশ প্রশাসন মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিলেও কাউনিয়া থানার পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা বখরা আদায়ে ব্যস্ত বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

মাঝেমধ্যে বরিশাল র‌্যাব-৮ ও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদকের বড় চালানসহ আটক করলেও পুলিশের কৌশলগত চার্জশিটের বদৌলতে এসব মাদক ব্যবসায়ী অল্প দিনেই মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে।

আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা  বলেন, পুলিশ যদি ঠিকভাবে তৎপর হয়, তাহলে কাউনিয়া সাত দিনের মধ্যে মাদকমুক্ত করা সম্ভব। ঘুষ বাণিজ্যের কারণে বন্ধ হচ্ছে না মাদকের বিস্তার। প্রায় প্রতিদিন আটক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড ও জরিমানা করেও থামছে না মাদকের ভয়াবহতা।

অন্যদিকে নিধিরাম সরদারের ভূমিকায় মাদকদ্রব্য নির্মূল অধিদপ্তরের লোকজনও জনবল সংকেটর দোহাই দিয়ে হাত গুটিয়ে থাকছেন।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের সখ্যের অভিযোগটি সত্য নয়। মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশ সোচ্ছার।